ফিওরেন্তিনা যুব দল এই মৌসুমে ঘরের মাঠে ১৯ ম্যাচে ১৩ জয়, ৪ ড্র ও ২ হারের দারুণ রেকর্ড গড়েছে, জয়ের হার ৬৮.৪%। ঘরের মাঠে তারা ৪২ গোল করেছে এবং মাত্র ১৮ গোল হজম করেছে, আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই দলটি অত্যন্ত শক্তিশালী। তুলনামূলকভাবে, পার্মা যুব দলও অ্যাওয়ে ১৯ ম্যাচে ১০ জয়, ৪ ড্র ও ৫ হারের খারাপ নয় এমন রেকর্ড করেছে, তবে অতিথি হিসেবে তাদের রক্ষণভাগের স্থিতিশীলতা স্বাগতিকদের মতো নয়।
দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিক ফর্মের কথাও উল্লেখযোগ্য। ফিওরেন্তিনা যুব দল শেষ ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হার পেয়েছে, ১৪ গোল করেছে, আক্রমণভাগের ধার যথেষ্ট ভালো। পার্মা যুব দলও শেষ ৬ ম্যাচে ৪ জয়, ১ ড্র ও ১ হার করেছে, তবে তুলনামূলকভাবে স্বাগতিকদের মতো এতটা স্থিতিশীল নয়।
এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের দিক থেকে, মূলধারার কোম্পানিগুলো প্রাথমিকভাবে স্বাগতিকদের জন্য অর্ধেক গোল থেকে কোয়ার্টার গোলের লাইন দিয়েছিল, আর এখন তা একীভূতভাবে স্বাগতিকদের জন্য অর্ধেক গোলে সমন্বয় করা হয়েছে। স্বাগতিক দলের পানির স্তর ০.৮৫-০.৯৯-এর মধ্যম পরিসরে রয়েছে, যা ফিওরেন্তিনা যুব দলের প্রতি প্রতিষ্ঠানের সমর্থন আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ফিওরেন্তিনা যুব দলের ঘরের মাঠে দাপট অসাধারণ, আক্রমণভাগের নিশ্চয়তা আছে, এবং হ্যান্ডিক্যাপ সমর্থনও যথাযথ। এই ম্যাচে স্বাগতিকদের ভালো পারফরম্যান্সের সম্ভাবনাই বেশি।