চেলসি এবং ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যে প্রিমিয়ার লিগে ব্যবধান ২৮ পয়েন্ট। ম্যানচেস্টার সিটি ৩৭ ম্যাচে করেছে ৭৫ গোল, চেলসির গোল মাত্র ৫৫। লিগের হিসাবে এটা সমানে-সমান লড়াই নয়। কিন্তু এফএ কাপের ফাইনাল হচ্ছে ওয়েম্বলিতে, নিরপেক্ষ মাঠে। নেই কোনো হোম অ্যাডভান্টেজ, নেই অ্যাওয়ে চাপ—শুধু এক ম্যাচে মীমাংসা হওয়া ৯০ মিনিট।
চেলসির আক্রমণভাগের সমস্যা চলছে পুরো অর্ধ মৌসুম ধরে। পামারের ফর্ম ওঠানামা করছে, আর এনজো ও কাইসেদোর মিডফিল্ড জুটি এখনো সেরা ছন্দ খুঁজে পায়নি। তবে তারা এফএ কাপে লিডস ইউনাইটেডকে হারিয়েছে, আর ভেইল পোর্টকে সাত গোল দিয়ে উড়িয়েছে। কাপ প্রতিযোগিতা এই দলকে লিগের সংকট থেকে বেরিয়ে আসার একটি পথ দিয়েছে।
ম্যানচেস্টার সিটির আক্রমণাত্মক পরিসংখ্যান গোটা ইউরোপেই শীর্ষ সারিতে, আর ফোডেন ও মার্মুশের বোঝাপড়া এক মৌসুম ধরে শানিত হয়েছে। কিন্তু দিয়াস এবং গভার্দিওল—দুজনই নেই, ফলে রক্ষণভাগের মূল ভরকেন্দ্রটাই ছিটকে গেছে। কাপ প্রতিযোগিতায় কিছুটা আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া চেলসির বিপক্ষে ম্যানচেস্টার সিটির সুবিধা কাগজে-কলমে যতটা দেখা যাচ্ছে, বাস্তবে তা হয়তো ততটা বড় নয়।
ওয়েম্বলির রাত, লিগেরই আরেকটি পর্ব নয়।