আগে একটা পরিসংখ্যান দিই: সুইডিশ নারী শীর্ষ লিগে গড়ে প্রতি ম্যাচে প্রায় ২.৮ গোল হচ্ছে। এর মানে কী? এর মানে বেশিরভাগ ম্যাচেই ২.৫ গোলের বেশি হচ্ছে। এটা আমি বানিয়ে বলছি না, পুরো লিগের বৈশিষ্ট্যই এমন — নারী ফুটবলে ডিফেন্সিভ চাপ তুলনামূলক কম, খেলার গতি বেশি, তাই গোলও সহজে হয়。
এবার এই দুই দলকে দেখি। ভিটশোর রক্ষণ, সোজা কথা বলতে গেলে, একেবারে ছিদ্রভরা। ১০ ম্যাচে ১৮ গোল হজম করেছে তারা, অর্থাৎ ম্যাচপ্রতি প্রায় ২ গোলের কাছাকাছি। এতে বোঝাই যায় তাদের ব্যাকলাইন কতটা অস্থির। কারও বিপক্ষেই গোল হজম করতে সমস্যা হয় না, আর নরশোপিংয়ের মাঠে খেলতে গেলে তো আরও এক-দু’টা খেয়ে বসতে পারে。
নরশোপিংয়ের কথা বললে, তারা যদিও টেবিলের উপরের দিকে নেই, তবু ঘরের মাঠে লড়াই করার মতো সামর্থ্য আছে। আর ঘরের দর্শকদের সামনে খেলছে যখন, তখন শুধু গুটিয়ে থাকাও তো যায় না—অবশ্যই আক্রমণে যেতে হবে। একদিকে আক্রমণ, অন্যদিকে রক্ষণ—গোল তো তখন আসবেই。
আরেকটা বিষয় হলো, এই দুই দলই ০-০ ড্রয়ের দল না। তাদের ম্যাচের রেকর্ড দেখলে বেশিরভাগ খেলাতেই গোল হয়েছে, আর অনেক সময়ই দেখা যায়, তুমি এক গোল করলে আমি এক গোল করি—এভাবে ম্যাচটা দুলতে থাকে। এমন ম্যাচেই বড় স্কোর বের হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।