আমি সাধারণত খুব বেশি স্পষ্ট জনপক্ষ কিনতে পছন্দ করি না, কিন্তু এই ম্যাচটা আলাদা। জাপান এমন কোনো দল নয় যাদের হাইপের ওপর ভর করে ফেভারিট ধরা হচ্ছে; বরং তাদের ম্যাচের কাঠামোটাই বেশি স্থিতিশীল। তিউনিসিয়া প্রথম ম্যাচে সুইডেনের কাছে ১-৫ গোলে হেরেছে, আর সমস্যা শুধু বাজে স্কোরলাইন নয়—ফরমেশনের প্রয়োগ, উইংয়ের সুরক্ষা এবং আক্রমণ-রক্ষণের ভারসাম্য, সবখানেই স্পষ্ট বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে।
জাপান প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে, আর এই ফলটাই বরং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইউরোপের শক্তিশালী দলের বিপক্ষে জাপান পুরোপুরি ছন্দে ভেঙে পড়েনি; বরং দৌড়, প্রেসিং আর মিড-টু-ফ্রন্টলাইন কম্বিনেশনের মাধ্যমে তারা নিয়মিতই হুমকি তৈরি করেছে। জাপান এমন দল নয় যারা শুধু ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের এক-দুটি মুহূর্তের ওপর নির্ভর করে; তাদের আসল শক্তি দলগত মুভমেন্ট, ডিসিপ্লিন আর ম্যাচ ম্যানেজমেন্টে।
এই ম্যাচে তিউনিসিয়ার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হলো গতি কমানো, মাঝখানের জায়গা বন্ধ রাখা, আর ম্যাচটাকে ধীরগতির লড়াইয়ে নামিয়ে আনা। কিন্তু প্রথম ম্যাচের বড় হারের পর দলের আত্মবিশ্বাস ও কৌশলগত স্বচ্ছতা দুটোই প্রভাবিত হবে। জাপান যদি ধৈর্য ধরে খেলে, খুব বেশি ওপরে উঠে ঝাঁপিয়ে পড়ার দরকার নেই; শুধু গতি নিয়ন্ত্রণ করে গেলেই সুযোগ এসে যাবে।
এটা কোনো বড় নামের ওপর বাজি ধরা নয়, বরং বেশি স্থিতিশীল দলগত কাঠামোর পক্ষে দাঁড়ানো। এই তিনটির মধ্যে এটিই সেই দিক, যেটাকে আমি টপ সিলেকশন হিসেবে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করতে চাই।