কৌশলগত বৈশিষ্ট্যের তিনটি মাত্রা ক্রস-ভেরিফাই করলে, এই ম্যাচে মোট গোল ২.২৫-এর বেশি হওয়ার সম্ভাবনা উচ্চতর ও উল্লেখযোগ্যভাবে বিবেচ্য।
এই ম্যাচটি বিশ্বকাপ এ গ্রুপের দ্বিতীয় রাউন্ডের বাঁচামরার লড়াই, যেখানে দুই দলই প্রথম ম্যাচে হার মেনেছে। হার মানে কার্যত বিদায় নিশ্চিত, তাই উভয় পক্ষেরই পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার সুস্পষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। কৌশলগতভাবে কোনো দলই চূড়ান্ত রক্ষণশীল, গুটিয়ে বসে থাকার নীতি নেবে না; তাই ম্যাচের উন্মুক্ততা নিয়মিত গ্রুপপর্বের চেয়ে বেশি হবে।
রক্ষণভাগে, দক্ষিণ আফ্রিকার দুই প্রধান মিডফিল্ডার লাল কার্ডের কারণে নিষিদ্ধ, ফলে মাঝমাঠের বল-ছিনিয়ে নেওয়ার ঢাল এবং আক্রমণ গঠনের কেন্দ্র—দুটিই অনুপস্থিত। পেনাল্টি বক্সের সামনে রক্ষণ কাভারেজ ব্যাপকভাবে কমে গেছে, ফলে চেক প্রজাতন্ত্রের উইং থেকে ক্রস ও পেছন দিক থেকে দৌড়ে এসে আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখা কঠিন হবে; চেক প্রজাতন্ত্র টানা ৫ ম্যাচে ক্লিন শিট রাখতে পারেনি, ডিফেন্ডারদের ঘুরে দাঁড়িয়ে পিছু ধাওয়া করার গতি কম—এই সমস্যাও স্পষ্ট। দক্ষিণ আফ্রিকার উইং-ভিত্তিক গতি-নির্ভর ফরোয়ার্ডদের কাউন্টার অ্যাটাকও নিয়মিত হুমকি তৈরি করবে, তাই দুই দলেরই গোল হজমের সুস্পষ্ট ঝুঁকি রয়েছে।
আক্রমণভাগে, চেক প্রজাতন্ত্রের প্রায় ৪০% গোল আসে সেট পিস ও হাই বল/এরিয়াল অ্যাটাক থেকে; বক্সের ভেতর হেডার জেতার হার ৭৮%, তাই শারীরিক উচ্চতায় স্পষ্ট পিছিয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগের বিপক্ষে তাদের চাপ যথেষ্ট হবে। অন্যদিকে, পয়েন্টের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকাও প্রতিআক্রমণভাগে কিছু জনবল ও শক্তি রেখে দেবে, অর্থাৎ তারা পুরোপুরি রক্ষণাত্মক ভঙ্গি নেবে না।
সবকিছু মিলিয়ে, এই ম্যাচে মোট গোল ২.২৫-এর বেশি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফুটবল ম্যাচে অনিশ্চয়তা থাকেই; উপরের বিশ্লেষণ কেবল কৌশলগত দিক থেকে একটি参考。